**বাজারের সেরা মধু ও সুন্দরবনের খাঁটি মধু।
মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য এবং খাদ্যসামগ্রী যা খাদ্যের সাথে সাথে পুনরাবৃত্তি হয়। এটি শরীরের জন্য বিভিন্ন উপকার প্রদান করতে পারে। যেমন:- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,ওজন কমায়, অনিদ্রা জনিত সমস্যা দূর করে, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, ত্বকের সুন্দর করে, রক্তের শূন্যতা দূর করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ইত্যাদি যেটা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। মধুর ভিতর রয়েছে সকল ধরণের গুনাগুন।
খাঁটি মধু পাওয়া জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন,আমরা ১০০%গ্যারান্টি সহ-কারে কালোজিরা ফুলের মধু, লিচু ফুলের মধু, সরিষা ফুলের মধু ও বিভিন্ন ধরনের ফুলের মধু বিশ্বস্ততার সাথে আমরা দিচ্ছি.......
*মধু কি?
#মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয় পদার্থ, যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা রাখে। পরবর্তীতে জমাকৃত পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে মধু হচ্ছে এমন একটি অগাজানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের নেকটার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।
#মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয় পদার্থ, যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা রাখে। পরবর্তীতে জমাকৃত পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে মধু হচ্ছে এমন একটি অগাজানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের নেকটার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।
*খাটি মধুর বৈশিষ্ট্যঃ
#(১) খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
(২_মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
(৩) মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
(৪) মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
(৫) খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছাড়লে তা সরাসরি ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।
#(১) খাটি মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকে না।
(২_মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার প্রভাব মধুতে থাকে না।
(৩) মধু সংরক্ষণে কোনো পৃজারভেটিভ ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর খাদ্য।
(৪) মধু উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
(৫) খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছাড়লে তা সরাসরি ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।
*মধুর উপকারিতা :
#শক্তি প্রদায়ীঃ মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। মধু তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
হজমে সহায়তাঃ এতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষদের জন্য মধু বিশেষ উপকারি।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়ঃ মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক।কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
অনিদ্রায়ঃ মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।
যৌন দুর্বলতায়ঃ পুরুষদের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান তাহলে বেশ উপকার পাবেন।
প্রশান্তিদায়ক পানীয়ঃ হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।
পানিশূন্যতায়ঃ ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেঃ চোখের জন্য ভালো।গাজরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
রূপচর্চায়ঃ মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।
ওজন কমাতেঃ মধুতে নেই কোনো চর্বি। মধু পেট পরিষ্কার করে, মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
হজমে সহায়তাঃ মধু প্রাকৃতিক ভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।
গলার স্বরঃ গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।
তারুণ্য বজায় রাখতেঃ তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
ঠান্ডা দূর করে মধুঃ মধু নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর হবে। চা, কফি ও গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁচি, কাঁশি, জ্বর জ্বর ভাব, জ্বর, গলা ব্যথায়, টনসিল, নাক দিয়ে পানি পড়া, জিহ্বার ঘা (ঠান্ডাজনিত) ভালো হয়।
আয়ু বৃদ্ধিঃ গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা তুলনামূলক ভাবে বেশি কর্মক্ষম ও নিরোগ হয়ে বেঁচে থাকে।
#শক্তি প্রদায়ীঃ মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। মধু তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
হজমে সহায়তাঃ এতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষদের জন্য মধু বিশেষ উপকারি।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়ঃ মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক।কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
অনিদ্রায়ঃ মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।
যৌন দুর্বলতায়ঃ পুরুষদের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান তাহলে বেশ উপকার পাবেন।
প্রশান্তিদায়ক পানীয়ঃ হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।
পানিশূন্যতায়ঃ ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেঃ চোখের জন্য ভালো।গাজরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
রূপচর্চায়ঃ মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।
ওজন কমাতেঃ মধুতে নেই কোনো চর্বি। মধু পেট পরিষ্কার করে, মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
হজমে সহায়তাঃ মধু প্রাকৃতিক ভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।
গলার স্বরঃ গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।
তারুণ্য বজায় রাখতেঃ তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।
ঠান্ডা দূর করে মধুঃ মধু নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার প্রবণতা দূর হবে। চা, কফি ও গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁচি, কাঁশি, জ্বর জ্বর ভাব, জ্বর, গলা ব্যথায়, টনসিল, নাক দিয়ে পানি পড়া, জিহ্বার ঘা (ঠান্ডাজনিত) ভালো হয়।
আয়ু বৃদ্ধিঃ গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা তুলনামূলক ভাবে বেশি কর্মক্ষম ও নিরোগ হয়ে বেঁচে থাকে।
**চুইঝাল, খুলনার বিখ্যাত চুইঝাল।
দেশী চুইঝাল শরীরের জন্য অনেক উপকারী। যেমন-কাশি, কফ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও রক্তস্বল্পতা দূর করে ও ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং শারীরিক দুর্বলতা। এছাড়াও অনেক রোগ নিরাময়ের কাজ করে।আরো চুইঝাল খাবারে এনে দেয় মুখ রুচি। তাই আমরা এনেছি আপনাদের জন্য দেশি ভালো মানের চুইঝাল। আরো আমরা দিতেছি খুলনার বিখ্যাত চুইঝাল।
*চুইঝাল কি?
#চুইঝাল গাছ দেখতে অনেক টা পানের লতার মতো। পাতা লম্বা ও পুরু হয়ে থাকে । পাতায় কোন প্রকার ঝাল নেই। কিন্তু এর কাণ্ড বা লতা ডাঁটার মতো কেটে ছোট টুকরো করে মাছ-মাংস সাথে রান্না করে খাওয়া যায়। রান্নার পর এই টুকরো গুলো চুষে বা চিবিয়ে খাওয়া হয়।
*চুইঝাল কি কেন খাবেন?
#১) আমাদের দেশে অধিক অংশ মানুষের গ্যাস্ট্রিক সমস্যার রয়েছে এই গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চুইঝালের ভুমিকা অনেক।
২) খাবারের রুচি বাড়াতে এবং ক্ষুধামন্দা দূর করতে আমরা চুইঝাল খেতে পারি।
৩) পরিপাক তন্ত্রতের প্রদহ সারাতে চুইঝাল অনেক দারুন উপকারি।
৪) চুইঝাল খেলে স্নায়ুবিক উত্তেজনা ও মানসিক অস্থিরতা কমে যায়।
৫) অধিক অংশ মানুষের ঘুমের সমস্যা রয়েছে রাতে ঘুম আসে না ঘুমের ওষুধ হিসেবে চুইঝাল খেতে পারেন । এবং শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং শরীরের ব্যথা সারায় চুইঝাল আমরা নিয়মিত খেতে পারি।
৬) সদ্য প্রসূতি মায়েদের শরীরের ব্যথা দ্রুত কমাতে চুইঝাল ম্যাজিকের মতো সাহায্য করে;
৭) যাদের কাশি, কফ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও রক্তস্বল্পতা সমস্যা রয়েছে তারা চুইঝাল খেতে পারেন।
৮) চুই ঝালের সাথে আদা পিষে খেলে সর্দি সমস্যা সমাধান হবে।
৯)গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধান করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
১০)খাবারের রুচি বাড়াতে এবং ক্ষুধামন্দা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
১১)পাকস্থলী ও অন্ত্রের প্রদাহ সারাতে চুইঝাল অনেক উপকারী।
১২)স্নায়ুবিক উত্তেজনা ও মানসিক অস্থিরতা প্রশমন করে।
১৩)ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে এবং শরীরের ব্যথা সারায়।
*চুইঝালের ব্যবহার?
#চুই ঝালের কাণ্ড মাংসের মসলা হিসেবে ব্যবহার হয়। খুলনা সাতক্ষীরা, বাগেরহাট যশোর এলাকায় বিখ্যাত মসলা এই চুই ঝাল ।
চুইঝালের শিকড় , পাতা ও ফুল ,ফলে ঔষধি গুণ আছে। চুইঝাল মাছ ও মাংসের সাথে রান্না করে খাওয়া হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের জেলা খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এ সব এলাকায় চুইঝাল মসলা খুব জনপ্রিয়।
*আমারদর চুই কেন কিনবেন?
#আমাদের চুইঝাল হলে দেশী ও ভালো মানের চুই। আমাদের চুইঝাল হলো খুলনার চুই। আমরা দীর্ঘদিন যাবত সারা বাংলাদেশে বিশ্বস্ত সাথে সেল দিয়ে আসছি। আমাদের চুইঝালের কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য....
১. খুলনার বিখ্যাত চুইঝালে প্রতি গিটে শিকড়ের সংখ্যা অনেক বেশি থাকে, একদম চারপাশে ফুলের মত ছড়িয়ে থাকে শিকড়।
২. খুলনার বিখ্যাত চুইঝালে একগিট থেকে অন্য গিটের দূরত্ব কম থাকে।
৩. খুলনায় চুই ঝাল রান্নার সময় সহজে গলে যায়। তাই মাংস 60 থেকে 70 পার্সেন্ট সেদ্ধ হয়ে গেলে তখনই চুই ঝাল দিয়ে রান্না করতে হয়।
৪. খুলনায় চুই ঝাল মোটা হোক বা চিকন হোক এর ঝাল, স্বাদ আর ঘ্রাণ একই রকম থাকবে।বিশেষ করে মাটির নিচে যে চুইঝালের যে অংশ টা হয় সেটা নখ দিয়ে সামান্য আচর কাটলেই অনেক ঘ্রাণ ছড়িয়ে যায়।
৫. খুলনার বিখ্যাত চুইঝালে আঁশের পরিমাণ কম থাকে। মানে এটা চিবিয়ে খেতে যে রসটা বা আঠালো একটা জিনিস হয় সেটা বেশি পাবেন।
এসব বৈশিষ্ট্য আপনি খুলনার চুইঝাল ছাড়া অন্য কোন চুইঝালে পাবেন না। আর অন্যান্য চুইঝাল সহজে গলতে চায় না, থাকে শক্ত কাঠের মত। আর স্বাদ এবং কোনটাই খুলনার বিখ্যাত চুইঝালের মত পাওয়া যায় না।
চুইঝালের দাম:- ইনবক্স নক করুন।
অফার:- রেফারেন্স উল্লেখ করলে বড় একটা ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন।
** ঘি ,খাঁটি ঘি ,গাওয়া ঘি ও ক্রিমের ঘি।
*ঘি কি?
#ঘি হলো দুধ ঘন করে চুলায় জ্বালিয়ে দুধের সর থেকে তৈরিকৃত বেশ জনপ্রিয় একটি খাদ্য উপাদানের নাম। দুধ যেহেতু আমাদের বয়স-ভেদে সকলের পছন্দ-কৃত একটি আইটেম তাই দুধের তৈরি একটি খাবার আইটেম হিসেবে আমাদের পছন্দের তালিকায় ঘি চাহিদা সবসময় শীর্ষস্থানে অবস্থান করে। কেউ ঘি ভাতের সাথে খেতে পছন্দ করে, কেউবা কোন খাবার প্রস্তুতিতে ঘি ব্যবহার করে।
*ঘি খাওয়ার উপকারিতা?
#১. ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে: ঘিতে ভিটামিন এ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যার কারণে এটি একটি দুর্দান্ত প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে কাজ করে। এটি ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী হাইড্রেশন প্রদান করে এবং ত্বককে শুষ্ক হতে বাধা দেয়। গোসলের আগে আপনার ত্বকে আলতো করে ঘি ঘষতে পারেন। এটি ত্বককে কোমল এবং নরম করে তুলবে।
২. ঠোঁটের শুষ্কতা ও ফাটা দূর করে: অল্প একটু ঘি আঙুলে নিয়ে তারপর সেটা ঠোঁটে লাগান। কয়েকবার ব্যবহারের পরই দেখবেন ঠোঁটের শুষ্ক ও ফাটা ভাব দূর হয়ে গেছে।
৩. টক্সিন বের করে দেয়: ঘিতে রয়েছে ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড যা হজমপ্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। আর যখন হজম ভালো হয়, তখন আপনার শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যায়, যার ফলে ত্বক পরিষ্কার হয়।
৪. চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে: ঘুমানোর আগে ঘি চোখের নিচে দিয়ে রাখুন। সকালে উঠে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই রুটিন মেনে চললে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে।
৫. তারুণ্য ধরে রাখে: বয়সের কারণে শরীর ও ত্বক বুড়িয়ে যেতে থাকে। তবে প্রতিদিন যদি আপনার খাদ্যতালিকায় কিছুটা ঘি রাখেন, তাহলেই তার প্রভাব পড়বে ত্বকে। কারণ ঘিতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বলিরেখা এবং বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণ প্রতিরোধে কার্যকর।
*প্রতিদিন কতটুকু ঘি খাওয়া উচিত?
#এটি স্বাস্থ্যকর খাওয়ার সুষম খাবার, জীবনধারা এবং ব্যায়ামের সংমিশ্রণ। আপনি প্রতিদিন প্রায় 1-2 চামচ ঘি খেতে পারেন। আপনার প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান, শক্তিশালীকরণ এবং প্রতিরোধের ওয়ার্কআউট করুন এবং একটি সুষম খাবার খান।
ঘি দাম:- ইনবক্স নক করুন।
অফার:- রেফারেন্স উল্লেখ করলে বড় একটা ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন।
অর্ডার করুন
** বাজারের এক নম্বর ফ্রেশ হলুদের গুঁড়া।
হলুদের গুঁড়া আমরা দৈনিন্দ্য তরকারি রান্নার কাজে ব্যবহার করি। হলুদের আমাদের ত্বকের বলিরেখা, বয়সের ছাপ দূর করে। হলুদ মসলাজাতীয় ফসলের তালিকায় শীর্ষ ব্যবহারযোগ্য ফসলের মধ্যে হলুদ অন্যতম। কাঁচা হলুদ থেকে শুরু করে গুঁড়া হলুদের ব্যবহার ব্যাপক। নিত্য খাবার ব্যঞ্জনের রঙ করার উদ্দেশ্যেই প্রধানত এর ব্যবহার হয়ে থাকে তা নয়। শারীরিক প্রয়োজনেও হলুদের ব্যবহার হয়ে থাকে। শুধুমাত্র হলুদ দিয়েই রোগ নিরাময়ে বহুমাত্রিক ব্যবহার সম্ভব। ক্ষেত্রে আমাদের জন্য প্রয়োজন ফ্রেশ হলুদের গুঁড়া। তাই আমরা দিচ্ছি আপনাদের জন্য এক নম্বর খাঁটি ফ্রেশ হলুদের গুঁড়া।
*হলুদ কি?
#হলুদ বা হলদি (বৈজ্ঞানিক নামঃ Curcuma longa) হলো হলুদ গাছের শিকড় থেকে প্রাপ্ত এক প্রকারের মসলা।[২] ভারত, বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রান্নায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি আদা পরিবারের (Zingiberaceae) অন্তর্গত একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ।
#কাঁচা হলুদের গুণ......
- ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কাঁচা হলুদ বিশেষ উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সহায়তা করে।
- কাঁচা হলুদ আমাদের হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে সহজেই খাবার পরিপাক হতে সাহায্য করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা হলুদে অনেক আয়রন থাকে। শরীরে আয়রনের স্বল্পতা দেখা দিলে এটি আয়রন বাড়াতেও সহায়তায় করে।
- ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন এলডিএল ও টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে। আর এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল হ্রাস করা মানে হলো আমাদের শরীরে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমানো, যার সঙ্গে কমে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।
- হলুদ চা ক্যানসার প্রতিরোধে অবদান রাখতে পারে। কারকিউমিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট একটি কার্যকর অ্যান্টিকার্সিনোজেন পদার্থ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
- আলসারেটিভ কোলাইটিস (ইউসি) একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা, যা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের (জিআই ট্র্যাক্ট) নিচের অংশে আলসার সৃষ্টি করে। কাঁচা হলুদ এই রোগ দানা বাঁধতে বাধা দেয়। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার বলছে, ইউসি রোগীরা হলুদ খেলে তাঁদের এই রোগ আবার হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
# মসলার জগতে হলুদের রয়েছে নানা গুণাবলি। স্বাদের সঙ্গে সঙ্গে রঙের ক্ষেত্রেও হলুদ সমানভাবে পারদর্শী। অন্যদিকে গুণাবলির দিক থেকেও আছে লম্বা তালিকা। হলুদ মূলত আদা গোত্রীয় পরিবারের সদস্য, সঙ্গে গাছের শিকড় থেকে প্রাপ্ত এক ধরনের মসলা।
হলুদের আদি উৎপত্তিস্থল দক্ষিণ এশিয়া। প্রচুর পরিমাণ পানি সঙ্গে ২০-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হলুদ উৎপাদনের জন্য আদর্শ আবহাওয়া। হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহৃত এ হলুদ রান্না ছাড়াও নানা ধরনের ঔষধি কাজের ক্ষেত্রেও সমানভাবে চর্চিত। ধারণা করা হয়, হলুদ নামটি আরবি শব্দ থেকে এসেছে।
ভেষজ গুণে ভরা এ মসলাটি রান্না এবং ওষুধের পাশাপাশি রূপচর্চার ক্ষেত্রেও বেশ সুপরিচিত। এ ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদের নানা ব্যবহার রয়েছে ত্বকের যত্নে। অন্যদিকে ঔষধি হিসাবেও যেমন হজমে যাদের সমস্যা আছে তারা অনায়াসে হলুদ খেতে পারেন। মূলত পরিপাক তন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে আপনার হজম ক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে হলুদ। এ ছাড়া ওজন কমাতেও হলুদ বেশ উপকারী। স্থূলতা বাড়াতে থাকা টিস্যুর গ্রোথ কমিয়ে আনতে সহায়তা করে এ মসলাটি।
এ ছাড়া ত্বকের বলিরেখা, কালো দাগসহ ত্বকের রুক্ষতা কমাতে হলুদ বেশ কার্যকর। অন্যদিকে কোথাও কেটে গেলে নিয়মিত হলুদ খেলে তা দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এ ছাড়া শরীরের নানা ধরনের ব্যথা কমাতেও হলুদ বেশ কার্যকর। জাফরানমিশ্রিত দুধে হলুদের এক চিমটি মিশ্রণ আপনার ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এ ছাড়া মানসিক অবসাদ দূর করতে, সর্দি কাশি কিংবা জ্বরের ক্ষেত্রে হলুদে রয়েছে প্রাকৃতিক নানা উপাদান। এ ছাড়া মেয়েদের অনিয়মিত ঋতুস্রাবের ক্ষেত্রেও হলুদ বেশ কার্যকর। কাঁচা হলুদ কিংবা হালকা গরম দুধের সঙ্গে অল্প হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই খুব সহজেই ঋতুস্রাবের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
এসব কিছুর পাশাপাশি, স্বরভঙ্গ, হৃদরোগ, হাঁপানিসহ স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে হলুদে রয়েছে নানা লুকায়িত গুণাবলি। তাই হলুদ খাবারে যুক্ত করার মাধ্যমে শরীরের ইমিউনিটি আরও বাড়াতে হবে যাতে সব সময় থাকা যায় সুস্থ আর উৎফুল্ল
হলুদের গুড়াঁ দাম:- ইনবক্স নক করুন ।
অফার:- রেফারেন্স উল্লেখ করলে বড় একটা ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন।
অর্ডার করুন
**সরিষা তৈল(Mustard Oil).
Mustard Oil (সরিষা তেল) আমরা সবাই জানি, সেই প্রাচীন কাল থেকেই সরিষা তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষা তেলের গুনা গুন সম্পর্কে কেউই অজানা নয়। সরিষা তেলের ব্যবহার শরীরের ওজন এবং ফ্যাটের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের যত্নেও সরিষা তেল অতুলনীয় ভূমিকা রাখে।
আমরা ১০০% অর্গানিক সরিষা তেল বিশ্বস্ততার সাথে পৌঁছে দিচ্ছি আপনাদের দোর-গোড়ায়।
সরিষার তেল:-
বহু আগে থেকেই সরিষা তেল (Mustard Oil) ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে কালের প্ররিক্রমায় আমরা অনেকেই ভুলতে বসেছি এর দৈনন্দিন বিভিন্ন ব্যবহার। তবে আজ কাল আমাদের দেশের বিভিন্ন ডাক্তারগন তাদের পেশেন্টদের সরিষার তেল খাবারের উৎসাহিত করছেন এর পুষ্টিগুন বিচার করে।
সরিষা তেলের বৈশিষ্ট্য :-
সর্ষের তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে।
সরিষা তেলের গুনাগুন:-
১) বিশ্ব সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে সরিষার তেল ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ ,ফ্যাটি এসিডে সমৃদ্ধ।
২) সরিষার তেলে (Mustard Oil) উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩) শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে সরিষার তেলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি কোণায় যাতে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছে যেতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখে।
৪) তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ইমফ্লেমেটারি উপাদান যেকোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
বিশেষত মাথা যন্ত্রণা এবং তলপেটের অস্বস্তি কমাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুণ কাজে আসে।



যারা ১০০% খাটি দেশী লাল সরিষার এবং ক্যামিক্যল ফ্রি তেল খুঁজছেন তাদের জন্য “আমরা আছি আপনাদের পাশে”!
সরিষার তৈল দাম:- ইনবক্স নক করুন ।
অফার:- রেফারেন্স উল্লেখ করলে বড় একটা ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন।




























No comments:
Post a Comment